মীখা তার মাকে বলল, “মা তোমার কি মনে পড়ে কেউ একজন তোমার 28 পাউণ্ড রূপো চুরি করেছিল? আমি শুনলাম তুমি এই নিয়ে অভিশাপ দিয়েছিলে| দেখ, আমার কাছেই সেই রূপো আছে| আমিই তো চুরি করেছিলাম|” তার মা বলল, “বৎস, প্রভু তোমার মঙ্গল করুন|”
3
মায়ের কাছে মীখা 28 পাউণ্ড রূপো ফেরত দিয়ে দিল| মা বলল, “প্রভুর কাছে আমার এই রূপো হবে বিশেষ একটা উপহার| আমার পুত্রকে এটা দেব| সে একটা মূর্ত্তি গড়ে সেটা রূপো দিয়ে মুড়ে দেবে| তাই বলছি বাছা, এখন এই রূপো তোমার হাতেই ফিরিয়ে দিচ্ছি|”
4
কিন্তু মীখা সেটা মায়ের কাছে দিয়ে দিল| মা তখন তা থেকে প্রায় 5 পাউণ্ড রূপো নিয়ে একজন স্বর্ণকারকে দিল| স্বর্ণকার সেই রূপো দিয়ে একটা মূর্ত্তি গড়ল| মূর্ত্তিটা রাখা হল মীখার বাড়িতে|
5
মীখার একটা মন্দির ছিল| সেখানে বিভিন্ন মূর্ত্তির পূজা হত| মীখা একটা এফোদ তৈরী করেছিল| সে আরও কয়েকটা পারিবারিক মূর্ত্তি তৈরী করেছিল| তারপর মীখা তার একজন পুত্রকে তার যাজক হিসেবে নির্বাচন করল|
6
(সেই সময় ইস্রায়েলীয়দের কোন রাজা ছিল না| তাই প্রত্যেকেই খেয়াল খুশি মতো যা ভাল মনে করত তাই করত|)
7
যিহূদার বৈৎলেহম শহরে একজন লেবীয় ছিল| সে যিহূদার পরিবারগোষ্ঠীতে থাকত|
8
সে বৈৎলেহম ছেড়ে অন্য একটি জায়গায় থাকবে বলে চলে গেল| যেতে যেতে সে এসে পড়ল মীখার বাড়িতে| ওর বাড়ি পাহাড়ি দেশ ইফ্রয়িমে|
9
মীখা তাকে জিজ্ঞাসা করল, “তুমি কোথা থেকে আসছ?” যুবকটি বলল, “আমি একজন লেবীয়, বৈৎলেহম যিহূদা থেকে আসছি| বসবাসের জন্য জায়গা খুঁজছি|”
10
মীখা বলল, “তুমি আমার কাছেই থাকো| তুমি আমার পিতা হয়ে, যাজক হয়ে এখানে থাকো| প্রতি বছর আমি তোমাকে 4 পাউণ্ড রূপো দেবো| তাছাড়া খাওয়া পরা তো দেবই|” লেবীয় যুবকটি মীখার কথামত কাজ করল|
11
সে মীখার সঙ্গে থাকতে রাজি হল| মীখার নিজের পুত্রদের মতই সে থেকে গেল|
12
সে হল মীখার যাজক| সে মীখার বাড়ীতেই থেকে গেল|
13
মীখা বলল, “আজ বুঝলাম প্রভু আমার ওপর প্রসন্ন হয়েছেন; কারণ আমরা যাজক হিসেবে এমন একজনকে পেয়েছি যে লেবী পরিবারগোষ্ঠী থেকে এসেছে|”